হুমায়ুন কবির জুশান, কক্সবাজার : নেচে-গেয়ে আতশবাজির ঝলকানি আর ফানুস উড়িয়ে নতুন বছর ২০২৩-কে বরণ করে নিয়েছেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণে আসা লাখো পর্যটক।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে সৈকতের উন্মুক্ত কোনো জায়গায় বিশেষ আয়োজন না থাকলেও নিজেদের মতো করে ২০২২ সালকে বিদায় ও নতুন বছর ২০২৩ সালকে বরণ করেন ভ্রমণপিপাসুরা।

এদিকে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনকে ঘিরে সৈকতসহ হোটেল-মোটেলগুলোতে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা।

থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনকে কেন্দ্র করে সৈকতের বালিয়াড়িতে ছিল না কোনো আয়োজন। সন্ধ্যার পর থেকে অনেকটা নীরব ছিল সাগরতীর। কিন্তু রাত ১০টা না হতেই সৈকতে দলে দলে জমায়েত হতে শুরু করেন পর্যটকরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় দর্শনার্থীরা। রাত ১১টা বাজতে না বাজতেই সৈকতে লাখো মানুষের সমাগম হয়।

ঘড়ির কাঁটা যখন ঠিক ১২টা, তখনই শুরু হয় আতশবাজির ঝলকানি। আতশবাজির সঙ্গে পটকা ফুটিয়ে, ফানুস উড়িয়ে নতুন বছর ২০২৩ সালকে স্বাগত জানান লাখো মানুষ। পছন্দের গানের সঙ্গে নেচে-গেয়ে উন্মাদনায় ফেটে পড়েন পর্যটকরা। এ সময় উড়ানো শত শত রঙিন ফানুসে সৈকতের আকাশ ছেয়ে যায়।

এদিকে জমজমাট ইনডোর প্রোগ্রামে বর্ষবরণ করেছে তারকা হোটেলগুলো। গভীর রাত পর্যন্ত আনন্দ আর নেচে-গেয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান হোটেলে অবস্থান করা অসংখ্য পর্যটক।

অন্যদিকে থার্টি ফার্স্ট নাইটে পর্যটকদের আনন্দ দিতে পেরেও দারুণ খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) অলক বিশ্বাস জানান, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় লাখো পর্যটক নিরাপদে নতুন বছরকে বরণ করেছেন। এদিকে উখিয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে ও পাথুরে গাথা ইনানী সমুদ্র সৈকতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক রয়েছেন বলে জানান, উখিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহামামদ আলী।