ফাইল ছবি

খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে এবারের এসএসসি ও সমানের পরীক্ষা শুরু হবে। আর এ কারণে ৮-২৫ নভেম্বর দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দেড় বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার ফলে এবারে সব বিষয়ে পরীক্ষা হবে না। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনটি বিষয়ের উপর নৈর্বাচনিক পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার ২৭ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারের পরীক্ষার ব্যবস্থা করছে কর্তৃপক্ষ এবং পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দেড় ঘণ্টা, যা স্বাভাবিক সময়ে পরীক্ষার অর্ধেক সময়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন চলতি বছরে ২৯ হাজার ৩৫টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ লাখ ২৭ হাজার।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা হবে। আর নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ে নম্বরগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বোর্ডকে জানাবে। আর পরীক্ষা শেষের ত্রিশ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন পরীক্ষা শুরুর ত্রিশ মিনিট আগেই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে আর পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে প্রশ্নের সেট কোড জানিয়ে দেয়া হবে।

তবে মোবাইল ফোন বা ডিভাইস নিয়ে কেউ কেন্দ্রে যেতে পারবে না।

ঘড়িসহ কোন কিছু বা কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে যেতে পারবে না। শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষার সময় অভিভাবকদের কেন্দ্রের আশেপাশে ভিড় না করার অনুরোধ করেন।

মন্ত্রী বলেন পরীক্ষার সময়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব প্রতিরোধে এবারও তারা বিশেষ ব্যবস্থা নেবেন।

এর আগে গত জুলাই মাসে বোর্ড থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষা কোন নিয়মে হবে তা জানানো হয়েছিলো।

পরীক্ষা শুধু গ্রুপ ভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে অনুষ্ঠিত হবে আর আবশ্যিক বিষয় ও চতুর্থ বিষয়ের কোন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

অর্থাৎ বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক তিনটি গ্রুপের শিক্ষার্থীরা যার যার গ্রুপের বিশেষায়িত তিনটি করে সাবজেক্টের ওপর সীমিত পরিসরে, সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে, পরীক্ষা দেবেন।

সেক্ষেত্রে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, আইসিটি, ধর্মের মতো আবশ্যিক বিষয় বা চতুর্থ বিষয়ের ওপর পরীক্ষা হবে না।

বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশক্রমে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং-এর মাধ্যমে আবশ্যিক বিষয় এবং চতুর্থ বিষয়ের নম্বর দেয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড বলছে, এ পদ্ধতিতে পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে কোন প্রভাব পড়বে না।