ফাইল ছবি

খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা। হজ পালনকারীরা এখন আরাফার ময়দানে। করোনাভাইরাস মহামারি শুরু হবার পর মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ববিধি মেনে এটা দ্বিতীয় হজ।

এ বছরের হজে অংশ নিচ্ছেন গত বছরের তুলনায় বেশি হজযাত্রী। কিন্তু স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর হজে যত মানুষ অংশ নিতেন, তার তুলনায় অনেক কম মানুষ এবছরের হজে অংশ নিতে পারছেন।

সৌদি আরবের মাত্র ৬০ হাজার পুরো ডোজ ভ্যাক্সিন দেয়া বাসিন্দাকে হজ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। অনলাইনে জমা পড়া সাড়ে পাঁচ লাখের বেশি আবেদনের মধ্যে থেকে এই ৬০ হাজারকে বেছে নেয়া হয়েছে।

আবেদন একমাত্র তারাই করতে পেরেছে, যাদের পুরো দুই ডোজ কোভিড-১৯ টিকা নেয়া হয়ে গেছে, যাদের বয়স ১৮ থেকে ৬৫র মধ্যে এবং যাদের ক্রনিক কোন অসুস্থতার ইতিহাস নেই।

হজ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ একটি ধর্মীয় সমাবেশ। ২০১৯ সালে হজ করতে গিয়েছিলেন আনুমানিক ২৫ লক্ষ মুসলিম।

হজ মুসলমানদের জন্য একটি আবশ্যকীয় ইবাদত বা ধর্মীয় উপাসনা। এটি ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যক বলে গণ্য করা হয়।

সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয় বলছে মহামারির কারণে এ বছরের হজ পালনে স্বাস্থ্য বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেয়া হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়েরএকজন মুখপাত্র হিশাম আল-সায়েদ এএফপি সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, “প্রতি তিন ঘন্টা অন্তর ৬ হাজার করে মানুষকে তাওয়াফ শুরু করার জন্য ঢুকতে দেয়া হবে। প্রতিটি দল তাওয়াফ শেষ করে বের হবার পর কাবা এলাকাটি জীবাণুমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলবে।”

কর্মকর্তারা আরো জানাচ্ছেন হজযাত্রীদের বিশ জন করে একেকটি দলে ভাগ করা হয়েছে এবং প্রতিটি দলে তাদের সাথে থাকবেন সরকার নিযুক্ত একজন প্রতিনিধি। পরিক্রমার পথ এমনভাবে রাখা হচ্ছে যাতে হজ পালনকারীরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলতে পারেন।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত বছর ২০২০ সালে মাত্র ১০ হাজার সৌদি হজে অংশ নিয়েছিলেন এবং হজের পর কোভিড ছড়িয়ে পড়ার বড় কোন ঘটনা ঘটেনি।

মহামারিতে সৌদি আরবে পাঁচ লাখের বেশি মানুষের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে এবং দেশটিতে মারা গেছে আট হাজারের বেশি লোক।

দেশটিতে এ যাবৎ দুই কোটি ১৫ লাখের বেশি টিকার ডোজ দেয়া হয়েছে। তবে মাত্র প্রায় ১০ শতাংশ মানুষ পুরো