এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে বাউকুল চাষে ভাগ্য বদল চাষীদের।অনুকূল আবহাওয়ায় কূলের আকার-আকৃতি বেড়েছে ও স্বাদ অটুট। ঈদগাঁওর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে বাউকূল জাতের কূলের চাষ হয়েছে। চাষীদের মুখে হাসির ঝিলিক। ঈদগাঁওর বিভিন্ন স্থানেই বাউকূল চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছে চাষীরা।

পাহাড়ী ইউনিয়ন ঈদগড়ের পাশাপাশি কূলের আবাদের জন্য খ্যাতির স্থান দখল করতে যাচ্ছে ঈদগাঁও। দেখা গেছে, গাছে গাছে থোকায় থোকায় কূল ঝুলে রয়েছে। কৃষকেরা বাগান থেকে কূল সংগ্রহ করছে। বাগান জুড়ে উৎসবের আমেজ যেন চাষীদের মাঝে।

এক বাউকুল বিক্রেতা জানান, বিগত বছরের চেয়ে এ বছর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে কুলের আকার-আকৃতি বেড়ে কূলের ওজনও বেড়েছে। কালিরছড়ায় ৪/৫টি বাগান থেকে পাইকারী কূল কিনে ঈদগাঁও বাজারসহ পাড়া মহল্লায় বিক্রি করছি। এসব কূল ৮০ থেকে ১শত টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন তিনি।

এক সূত্রে জানা যায়, বিগত কয়েক বছর কূলের আবাদে লাভ হয়নি। উৎপাদন কম হওয়ায়, আকার-আকৃতিতে বড় না হওয়ায় কূল চাষে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলেন অনেকে। এবার অনুকূল আবহাওয়ায় উল্টো চিত্র। আকার-আকৃতির সাথে উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে কূলচাষীদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।

কালিরছড়ার বাউকূল চাষী নুরুল হুদা এ প্রতিবেদককে জানান, তিনি ১৮ কানি জমিতে কুল চাষ করেছেন। বিগত বছরের ছেয়ে এ বছর সফলও হয়েছেন। ঈদগাঁও উপজেলা ও ঈদগড়ের সবচেয়ে বড় বাউকুল বাগান হচ্ছে স্থানীয় শিয়াপাড়ারস্থ পুরাতন ফরেষ্ট অফিস সংলগ্ন তার এ বাগানটি। গত একমাসে প্রায় দশ লক্ষ টাকার কাছাকাছি ব্যবসা হয়েছে। তার বাগানের স্বাদের এ বাউকুল ঈদগাঁওসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাইকারী হিসেবে নিয়ে যাচ্ছেন বিক্রেতারা।