খোলাবার্তা২৪ ডেস্ক : ইন্দোনেশিয়ার জাভায় এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১৬৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাত শতাধিক। ঘরবাড়ি হারিয়েছে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ। রিক্টার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৬।

স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সোমবারের ঐ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল জাভার চিয়ানজুর শহরের ১০ কিমি ভূগর্ভে।

চিয়ানজুর থেকে ১০০ কিমি দূরে রাজধানী জাকার্তায়ও ভূকম্পন বেশ জোরেই অনুভূত হয়েছে। সে সময় রাজধানীর উঁচু ভবনগুলো থেকে আতঙ্কে মানুষজন ছুটে বাইরে বেরিয়ে আসে।

কর্মকর্তারা সাবধান করে বলেছেন, মূল ভূমিকম্পের পর ছোটো ছোটো একাধিক ভূকম্পন হতে পারে, এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

ভূকম্পটি মূলত যে অঞ্চলে আঘাত করেছে সেখানে জনবসতি বেশ ঘন এবং এলাকাগুলো ভূমিধ্বস-প্রবণ।

উদ্ধারকারীরা ধংসস্তুপের ভেতর থেকে বেঁচে যাওয়া লোকজন খুঁজছেন। স্থানীয় বিভিন্ন খবরে বলা হয়েছে সে সময় একজন নারী ও তার শিশু সন্তানকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

চিয়ানজুরের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হারমান সুহারমান সাংবাদিকদের বলেছেন, অনেক জায়গা থেকে নতুন নতুন মৃতদেহ এবং আহত মানুষজন নিয়ে আসা হচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি তাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, দুর্গত গ্রামগুলো থেকে আহত-নিহতদের নিয়ে একের পর এক অ্যাম্বুলেন্স হাসপাতালে আসছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে বিধ্বস্ত বহু বাড়িঘর এবং দোকানপাট দেখা গেছে। বিধ্বস্ত ভবনগুলোর মধ্যে একটি হাসপাতাল এবং একটি আবাসিক মাদ্রাসাও রয়েছে।

রাজধানী জাকার্তায় প্রায় এক মিনিট ধরে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সে সময় বিভিন্ন অফিস ভবন থেকে লোকজন ভয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসে।

ইন্দোনেশিয়া এমনিতেই একটি ভূমিকম্প-প্রবণ দেশ। ২০১৮ সালেও ভয়াবহ এক ভূমিকম্পে সুলায়েসি দ্বীপে দুই হাজারেরও বেশি লোক নিহত হয়েছিল।