নাসির উদ্দিন, ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) : পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে একটি সেতুর অভাবে দুই উপজেলার বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির শেষ নাই। এলাকাবাসী ও কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে খালের উপর বাশ ও সুপারী গাছ দিয়ে সাঁকো নির্মান করে কষ্ট করে হাজার হাজার মানুষ পারাপার হলেও তা দেখার যেন উপযুক্ত কেউ নাই।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী ও পার্শ্ববর্তী মোড়েলগঞ্জ উপজেলার একমাত্র সীমানা নির্ধারণ করেছে মরা বলেশ^র খালটি। উপজেলার পশ্চিম প্রান্তে চন্ডিপুর ইউনিয়নের কলারন গ্রামে বলেশ্বর বাজার সংলগ্ন মরা বলেশ^র খালে বাশ ও সুপারী গাছ দিয়ে সাঁকো তৈরী একটি সাঁকো।

খালের পূর্ব পাশে পশ্চিম বালিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজাহার আলী দাখিল মাদরাসা ও উত্তর কলারণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। আর পশ্চিম পাশে দক্ষিণ পাঠামারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদনীভাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দারুল কোরান আলিম মাদরাসা। প্রতিদিন খালের দুই পাড়ের এই ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী সহ হাজারো মানুষ ঝুকিপূর্ন এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করে। শিক্ষার্থীরা অনেক সময় পা ফসকে খালে পড়ে বই খাতা সহ ভিজে যায়।

জোয়ারে কচুরীপানা আটকে এবং খালে চলাচলকারী ট্রলারের ধাক্কায় প্রায়ই সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্থ হয় এমনকি ভেঙ্গেও যায়। তখন অভিভাবকরা তাদের ছেলে মেয়েদের পারাপারের সুবিধার্থে চাঁদা তুলে এই সাঁকো সংস্কার করে। স্থানটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় জনপ্রতিনিধিদের এটা নিয়ে তেমন মাথাব্যথাও নাই। এলাকাবাসীর দাবী এখানে একটি আয়রন ব্রিজ বা বেইল ব্রীজ নির্মানের জন্য।

উত্তর পশ্চিম কলারণ আজাহার আলী দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা আব্দুস সালাম বলেন, বলেশ্বর বাজার সংলগ্ন মরা বলেশ্বির খালে একটি ব্রীজ দরকার। সাঁকোটি প্রায়ই ভেঙ্গে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে আসতে পারে না।

উত্তর কলারণ গ্রামের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, কলারণ গ্রামের বলেশ্বের বাজার সংলগ্ন মরা বলেশ্বর খালে একটি পুল বা বেইলি ব্রীজ দরকার। আমারা এ ব্যাপারে চেষ্টা করে যাচ্ছি।