আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘির পাইকপাড়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী শান্তনা বেগমকে ধর্ষণের অভিযোগে সোহাগ নামের এক যুবককে ধরে মারপিট করার ঘটনা ঘটেছে। সোহাগকে ধরার পর সোহাগের লোকজন রাতেই সোহাগকে ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ওই প্রবাসীর স্ত্রী শান্তনা বেগম (২৫) বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ৩ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-২৩)। মামলার রাতেই মামলার আইও মতিউর রহমান নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২২ জুন দিবাগত রাতে অভিযুক্ত পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের বিবাহিত ছেলে সোহাগ রাত অনুমান ১১ টার সময় একই গ্রামের প্রবাসী মাহাবুবের স্ত্রী শান্তনা বেগমের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। শান্তনার চিৎকারে বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে সোহাগকে ধরে আটকিয়ে।

পরে খবর পেয়ে সোহাগের লোকজন তাকে জোরপূর্বক ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। অপরদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম ও তার বাড়ির লোজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, সোহাগ তাকে ৫/৬ মাস আগে থেকে বিরক্ত করতেন। অবশেষে তিনি সোহাগের মোবাইল নাম্বার ব্লাকলিষ্ট করে।

ঘটনার রাতে ভিকটিম বাথরুম থেকে শোবার জন্য ঘরে ঢুকে সোহাগকে দেখতে পায়। সোহাগ তার শ্লীলতাহানী করে। এক পর্যায়ে ভিকটিম উচ্চস্বরে কান্নাকাটি করলে বাড়ির লোকজন টের পেয়ে সোহাগকে হাতে-নাতে ধরে মারপিট করে। পরে সোহাগের লোকজন খবর পেয়ে সোহাগকে ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। সোহাগ অসুস্থ হলে পরে রাত আড়াইটার দিকে তাকে আদমদীঘি হাসপাতালে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা করানো হয়।

এ ব্যাপারে আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা জানান, এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলার আইও এসআই হযরত জানান, এ ব্যাপারে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।