আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘিতে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়ানোর জন্য চুক্তি হওয়া টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে শ্বাস রোধে হত্যা করার পর মর্জিনার মুখমন্ডল কৃষি জমিতে পুতে রাখার ঘটনার প্রধান আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আবু জিয়াদ মিয়া (৪৫)। সে কুড়িগ্রাম চীলমারির পূর্ব মাচবান্দা গ্রামের মৃত বেলাল হোসেনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩টায় উপজেলার মুরইল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা ও পুলিশের দেয়া তথ্য মতে জানা গেছে, উপজেলার নসরতপুর ইউপির শাঁওইল গ্রামের প্রতিবন্ধী আবুল কাশেমের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী মর্জিনা বেগমের সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়ানোর জন্য চুক্তি হওয়া টাকা নিয়ে আবু জিয়াদ মিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়।

বিরোধের জের ধরে গত বুধবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে মর্জিনার গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে তার লাশ মুরইল ভাঙ্গা ব্রিজের উত্তরে কোচপুকুরিয়া নামক স্থানে জমির কাদাতে ফেলে রেখে চলে যায়। পরের দিন সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই নিহতের ছেলে নাছিম হোসেন বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে এজাহারে কোন আসামীর নাম উল্লেখ করেন নি। পুলিশ মামলার তদন্তে নেমে মর্জিনা হত্যার রহস্য উদঘাটন করেন। এরপর বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৩ টায় উপজেলার মুরইল বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, গ্রেপ্তারকৃত আবু জিয়াদ মিয়া মুরইল বাজার এলাকায় তার ভগ্নিপতি সালাউদ্দিনের বাসায় থাকতো। হত্যার রহস্য উদঘাটনে নেমে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে আদালতে পাঠানো হয়। আসামী জিয়াদ আদালতে (১৬৪ ধারায়) নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেছেন। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালানো হবে।