হুমায়ুন কবির জুশান, উখিয়া (কক্সবাজার) : রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি স্থানীয়দের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করছে লোকাল এনজিও মুক্তি কক্সবাজার। ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই ইউএনএইচসিআরসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের দীর্ঘমেয়াদি ও বিশ্বস্ত অংশীদার এবং আমাদের সার্বিক উন্নয়ন অর্জনে এই সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।

স্থানীয় সম্প্রদায়ের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রচার আত্ননির্ভশীল এবং জীবন মান উন্নয়নে জীবিকার উন্নতি করে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহযোগী হিসেবে আগের মতো কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উখিয়া উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা প্রসেনজিৎ তালুকদার।

২৫ নভেম্বর সকাল ১০ টায় উখিয়া প্রেস ক্লাব কনফারেন্স রুমে, উৎপাদক, ক্রেতা এবং অন্যান্য বাজার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বাজার সংযোগ বিষয়ক কর্মশালায় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ বিষয়ক কর্মকর্তা ডাক্তার সাহাব উদ্দিন, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির জুশান, উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা কামরুল হাসান সুমন, রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার ও কুতুপালং বাজার সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন, উখিয়া বাজার সমিতির সভাপতি একরামুল হক ও উখিয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমদ।

মুক্তি কক্সবাজারের প্রকল্প সমন্বয়কারী মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, ভালো থাকা এবং ভালো করা এমন মিশন এবং একটি শান্তিপূর্ণ সার্বজনীন সমাজ দারিদ্র ও কুসংস্কার থেকে মানুষকে মুক্ত রেখে মর্যাদা এবং নিরাপত্তায় বসবাস করা এমন ভিশন নিয়ে সুনামের সাথে কাজ করছে।

কাজের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, উপকারভোগি হোষ্ট এলাকা-১৫১৬ টি দরিদ্র ও হতদরিদ্র পরিবার এবং ক্যাম্প এলাকায়-৩৫০০ টি রোহিঙ্গা রিফিউজি পরিবার রয়েছে। হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে গবাদি পশু পালন, বসত ভিটায় সবজি চাষে উপকরণ সহায়তা-১৫১৬ জন, ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদনে সহায়তা প্রদান-৩০ জন, নার্সারী উন্নয়নে সহায়তা-১০ জন, সবজি প্রদর্শনী প্লট স্থাপনে সহায়তা ২৪ জন, দেশী মুরগী পালনে সহায়তা-৪৫২ জন, মুরগী পালনে উদ্যোক্তা তৈরী ২৯ জন, ছাগল পালনে সহায়তা ৬৯, মৎস্য চাষে সহায়তা ৫ জন, ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন-৩০ টি।

করোনা ভাইরাস কালীন নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান ১৩৯২ জন। (প্রতিজনে ৪৫০০/+) চারা বিতরণ ১৬৬৭৬ টি, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ-১৫১৬ জন এ ছাড়াও স্থানীয় যুবদের কম্পিউটার ও ড্রাইভিং শেখানো হচ্ছে। মুক্তি কক্সবাজারের প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম, প্রকল্প কর্মকর্তা আবেদা সুলতানা লিজা, আমিনুল ইসলাম, মামুনুর রশিদ, আমির হোসেন, আয়েশা বেগম ও মোস্তফা বেগম তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।