কাজী খলিলুর রহমান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি : অধিক লাভজনক হওয়ায় ঝালকাঠিতে দিন দিন বাড়ছে তরমুজের চাষ। বীজ রোপনের ৩-৪ মাসের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। ক্ষেত পরিচর্যার খরচ ছাড়া বাড়তি কোন উৎপাদন খরচ নেই। তাই অনেকেই তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। এ বছর খরচের তুলনায় দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন তরমুজ চাষিরা। আগামীতে এর চাষ বাড়াতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

দেশব্যাপী বিপুল চাহিদা থাকায় ও লাভজনক হওয়ার কারণে ঝালকাঠি জেলায় দিন দিন বেড়ে চলেছে তরমুজের আবাদ। ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেরার চরপালট ও নলছিটির হদুয়ার চড়সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এ বছর ব্যাপকভাবে তরমুজের আবাদ হয়েছে। তরমুজের ফলনও হয়েছে ভালো। বর্তমানে তরমুজের মৌসুম তাই ঝালকাঠির বিভিন্ন হাটে রমরমা বেচাকেনা চলছে।

কৃষক পর্যায়ে শত হিসেবে (১’শত) এ গ্রেডের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকায় আর বি গ্রেডের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ২৫ হাজার টাকায়। ঝালকাঠির চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন নৌ ও সড়ক পথে ঢাকা-নারায়নগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হচ্ছে বিপুল পরিমান তরমুজ। তাই এ বছর খরচের তুলনায় দ্বিগুন লাভের আশা করছেন তরমুজ চাষিরা। অল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় এই ফসল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই।

২৫ লাখ টাকা খরচ করে ৩০ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করে দ্বিগুণ লাভের আশা করছেন হানিফ সরদার নামের এই কৃষক।

তরমুজ চাষ লাভজনক হওয়ায় এখানকার বেকার যুবকরা বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে এ চাষে আগ্রহী হচ্ছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক।

চলতি মৌসুমে জেলায় ৪৮ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যা থেকে ২ হাজার ২’শ টন তরমুজের ফলন পাওয়া যাবে।